এমএনপি বা মোবাইল নাম্বার পোর্টেবিলিটি সেবা কি?

মনিরুজ্জামান রাফি ||

বর্তমান এই প্রযুক্তির যুগে সবকিছুই এখন সহজ হয়ে গিয়েছে । আগে যেমন আপনার এলাকায় কোন কোন অপারেটরের নেটওয়ার্ক কম থাকলে বা তাদের সেবায় সন্তষ্ট না হলে আপনাকে নাম্বারসহ অপারেটর বদলে ফেলতে হতো।ঠিক এই সময়ে এখন মোবাইল নাম্বার পোর্টেবিলিটি -এমএনপি সেবা  এর মাধ্যমে আপনি উক্ত সেবা একটু ভিন্ন ভাবেই পাচ্ছেন অথাৎ আপনি আপনার বর্তমান ফোন নাম্বার অপরির্তিত রেখেই আপনি অন্য যে কোন অপারেটর এ যেতে পারছেন। এর জন্য আপনার সিম নম্বর পরিবর্তন করার কোন প্রয়োজন নেই। ধরুন আপনার একটি গ্রামীনফোন অপারেটরের একটি নম্বর আছে এখন আপনার কাছে গ্রামীন ফোনের সেবা ভালো লাগছেনা, সেক্ষেত্রে আপনি আপনার ভালো লাগা যে কোন অপারেটরের সেবা নিতে পারবেন। আর একেই বলে (মোবাইল নাম্বার পোর্টেবিলিটি—এমএনপি) সেবা।

কোন প্রকার ঝামেলা ছাড়াই আবার আপনি চাইলে একটি নিদৃষ্ট সময় পর আপনি আপনার মাদার অপারেটর অথাৎ মূল অপারেটরে ফিরে আসতে পারবেন। এক্ষেত্রে কোন ঝামেলা পোহাতে হবে না আপনাকে।

এখন প্রশ্ন আসতে পারে আমি কিভাবে বা কোথায় অপারেটর পরিবর্তন করবো ?

আপনি আপনার অপারেটর পরিবর্তনের জন্য আপনার পার্শবর্তী যে কোন কাস্টমার কেয়ারে গিয়ে আপনি আপনার অপারেটর পরিবর্তন করে নিতে পারেন। সেক্ষেত্রে অনেক সময় চার্জ প্রযোজ্য হয় আবার অনেক সময় ফ্রি তেও করে দেয়।

এতে কি আমার সেবা পেতে কোন সমস্যা হতে পারে ?

হ্যাঁ, বাংলাদেশে এখনো উক্ত সেবা ভালোভাবে দেয় নি, তাই মাঝেমধ্যে আপনার বিভিন্ন একাউন্ট থেকে আসা (OTP) One Time Password নাও আসতে পারে। অনেকেই এই সমস্যাটি ফেস করছেন এখনো। তবে আশা করা যাচ্ছে উক্ত সেবা অল্প কিছুদিনের মধ্যেই বাংলাদেশে খুব ভালোভাবে চালু হবে।এবং এর মাধ্যমে আপনারা স্বাধীনভাবে আপনার ইচ্ছামতো অপারেটর এ চলে আসতে পারবেন।২০১৮ সালের অক্টোবরে চালু হওয়া এই সেবায় সফল এমএসপি থেকে অসফল এর সংখ্যাই বেশী। কেননা অনেক অপারেটরই চায়না আপনি তাদের অপারেটর ছেড়ে অন্য অপারেটর এ চলে যান। আর তাই হয়তো আপনার এমএনপি রিকোয়েষ্ট প্রত্যাহার ও হতে পারে।তবে আশা করছি ধীরে ধীরে এসব সমস্যা সমাধানে নামবে বি আর টি সি।

তবে আর দেরী কিসে আজই আপনার প্রিয় অপারেটর এ চলে আসুন এমএসপি এর মাধ্যমে।

 

Share
  •  
  •  

Leave a Reply