করোনা সচেতনতায় মাঠে কল্যাণী ফাউন্ডেশন

ঝুড়ি ডেস্ক ||

বর্তমান সময়ে আতংকের এক নাম করোনা (কোভিড-১৯)।চীনের উহান শহর থেকে সৃষ্টি হওয়া এই ভাইরাস আজ ছড়িয়ে পড়েছে পুরো বিশ্ব।এই ভাইরাসের কোন প্রতিষেধক তৈরী না হওয়ায়। একের পর এক রোগী ঢলে পড়ছে মৃত্যুর কোলে।এটি সাধারণ আক্রান্ত ব্যাক্তির হাচি- কাশির মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।এবং ছড়িয়ে পড়ার পর দেখা দেয় এব ভয়ংকর রূপ।

এই ভাইরাসের আক্রমনে যেন থমকে গেছে সারা বিশ্ব।থমকে গেছে দেশের মূল চালিকা শক্তি। থেমে গেছে সমস্ত মানুষ। অন্যান্য দেশের মতো বাংলাদেশেও এই ভাইরাস সনাক্ত হয়েছে।

দেশের এই করুন সময়ে নেত্রকোনার কেন্দুয়া উপজেলায় নিজ এলাকাসহ বিভিন্ন গ্রামে গ্রামে ঘুরে সচেতনতার লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে কল্যাণী ফাউন্ডেশন। এছাড়াও তারা গ্রামের প্রতিটি মানুষকে ১ টি করে সাবান ও মাস্ক বিতরন করেছেন।২৫ শে মার্চ রাত জেগে নিজ কর্মীদের নিয়ে এসব মাস্ক তৈরী করেন সংগঠনের চেয়ারম্যান কল্যাণী হাসান।সংগঠনের প্রধান শাখা কেন্দুয়া পৌর এলাকা সাউদপাড়ায় গেলে এই দৃশ্য চোখে পড়ে। এসময় দেখা যায় ফাউন্ডেশনের চেয়ারম্যান কল্যাণী হাসান সংগঠনের অন্যাণ্য সংশ্লিষ্ট ব্যাক্তিদের নিয়ে নিজ হাতে মাস্ক তৈরী করছেন।

এসময় সংগঠনের চেয়ারম্যান কল্যাণী হাসানের সাথে কথা হলে তিনি জানান আমরা সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের কে ও অন্যান্য গরীবদের যারা করোনা প্রতিরোধের ব্যাবস্থা নিতে অক্ষম তাদের মাঝে আমাদের নিজ হাতে তৈরী এসব মাস্ক বিতরণ করছি। এবং সেই সাথে তাদেরকে হ্যান্ড মাইক নিয়ে করোনা সম্পর্কে গ্রামের সাধারন মানুষকে সচেতন করছি। তাদেরকে হাত ধোয়ার সাবান ও প্রদান করা করছি।

এছাড়া সংগঠনের সাধারণ সম্পাদক এইচ এম মোমেন ভূইয়ার সাথে কথা হলে তিনি জানান এ ছাড়াও আমরা বাল্যবিবাহ প্রতিরোধসহ নানা সময়ে হতদরিদ্র লোকদের সাহায্য করে থাকি। যেমন: কন্যা দায়গ্রস্থ পিতা মাতাকে সাহায্য করা, ভিটেমাটিহীন দুস্থদের জন্য থাকার ব্যাবস্থা করে দেয়া, বেওয়ারিশ লাশ নিজ উদ্যেগে দাফন করা।

বর্তমানে তিনি শিক্ষক পেশায় নিয়োজিত আছেন। এর পাশাপাশি মা জুয়েলার্স নামক একটি সর্ণালংকারের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সাথে নিয়োজিত আছেন।কোথাও কোন হত দরিদ্র দুঃখ পেতে দেখলেই ছুটে যান তিনি। নিজ উদ্যোগে ব্যবস্থা নেন তিনি। এভাবেই তিনি সুখ খুজে পান।

Share
  •  
  •  

Leave a Reply